বিজনেস জার্নাল ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির দাম বাড়তে থাকায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সোনার বাজারে, তবে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়েনি, বরং উল্টো কমছে।
সোমবার ২৯ সেপ্টম্বর স্পট মার্কেটে সোনার দাম ৩ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৪৬ দশমিক ৫১ ডলারে নেমে আসে। ফলে গতকালই সোনার দাম সাত সপ্তাহের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। এর মধ্যে আজ মঙ্গলবার সোনার দাম আরও কমেছে। এই প্রতিবেদন লেখার সময় আজ বেলা তিনটায় সোনার দাম ছিল আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ১৪০ ডলার। খবর আল–জাজিরা ও গোল্ড প্রাইস ডট অর্গ।
সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সোনার আগাম সরবরাহের চুক্তির (ফিউচার) দাম ৩ দশমিক ৩ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ১৭৮ দশমিক ৪০ ডলারে নেমেছে।
তেলের মূল্যবৃদ্ধি, মার্কিন ডলারের তেজিভাব ও যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের সুদহার বৃদ্ধির কারণে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে। এতে সোনার দামের ওপর আরও চাপ তৈরি হয়েছে।
এই প্রতিবেদন লেখার সময় সোনার যে দাম ছিল, তা ৫ আগস্টের পর সোনার সর্বনিম্ন দাম। সোনা সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে সুদের হার বাড়লে সোনার আকর্ষণ কমে যায়। কেননা, বিনিয়োগকারীরা সুদ বা মুনাফা পাওয়া যায়, তখন এ ধরনের সম্পদে বিনিয়োগ করতে বেশি আগ্রহ বোধ করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডভিত্তিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান পোয়েজ ইনভেস্টমেন্ট অ্যাডভাইজার্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শরিফ ওথমান আল-জাজিরাকে বলেন, ‘সাধারণ মানুষের জীবনে এর প্রত্যক্ষ প্রভাব তেমন না–ও পড়তে পারে। তবে যেসব বিনিয়োগকারী সোনায় বিনিয়োগ করেছিলেন, তাঁরা ক্ষতির মুখে পড়বেন। বিশেষ করে উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময় ক্ষতিবৃদ্ধি হতে পারে।’
শরিফ ওথমান আরও বলেন, ‘সোনা থেকে সুদ পাওয়া যায় না। তাই ট্রেজারি বন্ডের সুদহার বাড়লে বিনিয়োগকারীরা সোনা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন, এতে সোনার মূল্য কমে যায়।’
